November 15, 2019

Banner Here
নজর কেড়েছে ইবি প্রকৌশল দফতরের আতিথিয়তা

  •  
  •  
  •  

অনি আতিকুর রহমান, ইসলামী বিশ্বববিদ্যালয়, ঝিনাইদহের চোখঃ

আতিথেয়তায় ইসলামী বিশ্বববিদ্যালয়ের সুনাম রয়েছে বেশ আগে থেকেই। এবারের ভর্তি পরীক্ষায়ও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

তবে বিশ্ববিদ্যালটির আতিথিয়তার মুকুটে এবার কিছু নতুন পালক যোগ হয়েছে। যেমন ধরা যাক, প্রকৌশল দফতরের কথা।

ইবির ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা সোমবার (৪নভেম্বর) শুরু হয়ে শেষ হলো আজ বুধবার (৬নভেম্বর)। ভর্তিচ্ছুদের পাশাপাশি আগন্তুক অভিভাবকদের বিশ্রামের জন্যও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবক কর্ণার চালু করেন। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনও পাশে দাড়িয়েছে অভিভাবকদের। একইভাবে পরীক্ষা চলাকালীন তিনদিন অভিভাবকদের পাশে ছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দফতর। অভিভাবক কর্ণার স্থাপন করে ইবির প্রকৌশলীরা নিজে হাতে আপ্যায়ন করেন আগন্তুক অতিথিদের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রথমবারের মত এবারের পরীক্ষায় কেন্দ্রীয় মসজিদ ও প্রকৌশল দফতরের মাঝামাঝি স্থানে একটি সুসজ্জিত অভিভাবক কর্ণার স্থাপন করেন ইবি প্রকৌশলীরা। নিজেদের অর্থায়নেই এটি স্থাপন করেন তারা। বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ভর্তিচ্ছুর অভিভাবকরা এখানে বিশ্রাম নেন। এসময় তাদের আপ্যায়নের ব্যবস্থাও করা হয়। তারা জানান, প্রতিদিন প্রায় সহ¯্রাধিক অভিভাবক এখানে বিশ্রাম নেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুলসহ উপ-প্রধান প্রকৌশলী শরীফ উদ্দিন, আব্দুল মালেক মিয়া, নাসিমুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী বাদশাহ মামুনুর রশিদসহ অন্যান্য সার্বক্ষণিক অভিভাবকদের আপ্যায়ন করেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল বলেন, আমরা কয়েকজন বন্ধুপ্রতিম ইঞ্জিনিয়ার নিজেদের অর্থায়নে এবং অফিসের সবার সহযোগীতায় এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা চালিয়েছি। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা আনন্দিত। ইতোমধ্যে আমাদের দেখে অন্যান্য দফতরও অনুপ্রাণিত হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। সামনেবার আরো বড় পরিসবে করার আশা করছি।

উপ-প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মালেক জানান, প্রতিদিন প্রায় সহ¯্রাধিক অভিভাবককে আমরা আপ্যায়ন করেছি। বিশুদ্ধ পানি, চা-বিস্কুট, আপেল, কমলা, সমুচা, মিষ্টি ইত্যাদি পরিবেশন করেছি। নারী-পুরুষ উভয় অভিভাবকদের জন্য ওয়ামরুম সুবিধার পাশাপাশি দৈনিক পত্রিকা পড়ার ব্যবস্থাও ছিলো এখানে।

অপর উপ-প্রধান প্রকৌশলী শরিফ উদ্দিন বলেন, তিনদিনে প্রায় তিন সহ¯্রাধিক অভিভাবককে আপ্যায়ন করতে পেরেছি। তাঁরাও খুব উচ্ছ¡াস প্রকাশ করেছেন। এরমধ্যে ভিসি, প্রো-ভিসি এবং ট্রেজারার স্যারও অভিভাবক কর্ণার পরিদর্শন করে গেছেন।

image_print

Theme.Com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


     আরও সংবাদ

Add