হলিধানীতে ইউনিয়ন আ’লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জাহিদুল হক বাবু, ঝিনাইদহের চোখ-

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহষ্পতি বার বিকাল ৩ টায় ইউনিয়ন পরিষদের হল রুমে সমাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাজী হাসেম আলীর সভাপতিত্বে,অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আজিজ মাষ্টার।

উক্ত সভায় আ’লীগের ৯ ওয়ার্ডের সভাপতি সাধারন সম্পাদকসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীদের উম্মুক্ত আলোচনা করার সুযোগ দেওয়া হয়। এ সময় ওয়ার্ডের নেতা কর্মীরা মনের কথা প্রকাশ করেন।

পরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আজিজ মাস্টার দলের নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনা মুলক বক্তব্য দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, হলিধানী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী হাসেম আলী, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান,সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক হারুন অর রশীদ,থানা আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইদ্রিস আলী,ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক পারভেজ,আলমগীর,যুবলীগ নেতা লাল্টু, ছাত্রলীগের সাঃ সম্পাদক হাবিব, ছাত্রলীগ নেতা
খাইরুল, রহমান মিয়া প্রমুখ।




ঝিনাইদহে যুব মহিলা লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

ঝিনাইদহের চোখ-

ঝিনাইদহে সীমিত পরিসরে যুব মহিলা লীগের ১৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। দলটির জেলা শাখার আয়োজনে সোমবার সকালে শহরের পায়রা চত্বর থেকে একটি র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে প্রেরণা একাত্তর চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

সেখানে বঙ্গবঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। পরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ ঝিনাইদহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সালমা ইয়াসমিনসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা শাখার সহ-সভাপতি নাজমা খাতুন, আফরোজা সুলতানা, সাংগঠনিক সম্পাদক বেবী নাজনিন, যুগ্ম সম্পাদক মিতা মায়া, সদস্য গুলশান আরা, তন্নী খাতুন, রোজিনা খাতুন প্রমুখ।

বক্তারা, যুবলীগের ভাবমুর্তি আরও উন্নত করতে কােনাকালে অসহায় ও দুস্থদের পাশে দাড়াতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহŸান জানান।র




হলিধানীতে করোনা সুরক্ষায় মাস্ক বিতরন করলেন যুবলীগ নেতা

জাহিদুল হক বাবু, ঝিনাইদহের চোখঃ

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নে অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরন করা হয়েছে।

রোববার ২৮ জুন সকালে হলিধানী বাজারে ৭০০ পিচ মাস্ক বিতরন করেছেন উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক, ও বাংলাদেশ আওয়ামী কৃষক লীগের কার্যনীর্বাহী সংসদের সদস্য নুর এ আলম বিপ্লব।

এ সময় তিনি সমিকরণ প্রতিবেককে বলেন, বিপদজনক করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নিরাপত্তার স্বার্থে মাস্ক বিতরন করা হল। এর পুর্বেও মাস্ক হ্যান্ডস্যানিটাইজার বিতরন করা হয়েছে। এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাবেক সহ সভাপতি আঃ রহিম শেখ, আওয়ামী নেতা বোরহান উদ্দিন, সদর উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইদ্রিস আলী মোল্লা,ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক পারভেজ মিয়া,যুবলীগ নেতা কামরুজ্জামান লাল্টু,ফারুক হোসেন,ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক খাইরুল ইসলাম,সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শোলক আলী প্রমুখ।




ঝিনাইদহে জোড়া খুনের মামলার আরও ৪ আসামী গ্রেফতার

খাইরুল ইসলাম নিরব, ঝিনাইদহের চোখঃ

ঝিনাইদহের হরিশংকরপুরে আধিপত্য নিয়ে আওয়ামীলীগের দুই নেতা আলাপ শেখ ও নুর ইসলাম হত্যা মামলায় আরও ৪জন আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো হুদা বাকড়ী গ্রামের রফিকুল ইসলাম কাজল এর ছেলে রেজওয়ানুল ইসলাম বাপ্পী (৩০), কোদালিয়া গ্রামের মধু মুন্সির ছেলে আনিসুর রহমান সোহেল (৩৩), সুতলীয়া গ্রামের মৃত সায়েদ আলী মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলী মিয়া (৫৮), একই গ্রামের আব্দুস সাত্তার এর ছেলে আরিফুর রহমান আরিফ (৩০)। মঙ্গলবার রাতে সদর থানা পুলিশ মাগুরার রামনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে। এ মামলায় এ পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, ঝিনাইদহের হরিশংকরপুরে আধিপত্য নিয়ে চলতি মাসের চার তারিখে স্থানীয় আওয়ামীলীগের বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম গ্রæপের অতর্কিত হামলায় সাবেক চেয়ারম্যান ফারুকুজ্জামান ফরিদ গ্রæপের স্থানীয় দুই আওয়ামীলীগ নেতা আলাপ শেখ নিহত হয়। তার দুদিন পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুর ইসলামও নিহত হয়।

এ ঘটনায় নিহত আলাপ শেখের ভাই গোলাপ শেখ বাদি হয়ে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম সহ ২৫ জনকে আসামী করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ এ ঘটনায় হত্যার দুদিন পরে গ্রাম্য অস্ত্র-শস্ত্রসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়




সাগান্না ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

ঝিনাইদহের চোখ-

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাগান্না ইউনিয়নে ২৩ই জুন মঙ্গলবার সন্ধা ৭টায় উত্তর নারায়নপুর সাগান্না ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ কার্যালয়ে কেক কেটে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে দিবসের কর্মসূচী শুরু করা হয়। করোনা কালে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক তুর্ফি,সাংগঠনিক সম্পাদক আলি আকবার, ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুস সামাদ, ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি উজ্জ্বল বিশ্বাস,সাধারন সম্পাদক আমির বিশ্বাস,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক গাজী আব্দুল হালিম,সাবেক ইউপি সদস্য কামাল হোসেন দিপু সাবেক ছাত্র নেতা মোকলেচুর রহমান শিলু, ওয়ার্ড আওয়ামিলীগের নেতৃবৃন্দ সহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহবিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনায় দেশের ক্লান্তি লগ্নে দেশবাসীর জন্য দোয়া ও আওয়ামিলীগের কেন্দ্রীয় ৩ নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক সমবেদনা জানানো ও তাদের বিদায়ী আত্তার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ, সেই সাথে করোনার কালে ইউনিয়নের সকল নেতৃবৃন্দ কে ইউনিয়নের সকল অসহায় হত-দরিদ্র মানুষের পাশে থাকতে আহ্বান করে ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সাধারন সম্পাদক মুন্সি সাইদ রেজা সাইদ ।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাগান্না ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সাধারন সম্পাদক মুন্সি সাইদ রেজা সাইদ।




প্রতিষ্ঠার ৭১ বছরে আওয়ামী লীগ

ঝিনাইদহের চোখঃ

দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আজ গৌরবোজ্জ্বল ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। পুরান ঢাকার বিখ্যাত রোজ গার্ডেনে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঐতিহ্যবাহী এ দলটির জন্মলাভের মধ্য দিয়েই রোপিত হয়েছিল বাঙালীর হাজার বছরের লালিত স্বপ্ন স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজ।গৌরব ও ইতিহাসের নানা বাঁক পেরিয়ে আজ ৭২ বছরে পা দিল হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা ভাসানী আর বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া আওয়ামী লীগ।

মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে নেতৃত্ব দেয় দলটি। আওয়ামী লীগ মানেই জাতির অর্জন, সমৃদ্ধি আর সম্ভাবনার স্বর্ণালি দিন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও যোগ্য নেতৃত্বের কারণে জনপ্রিয়তায় ও দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে দলটি।

বহু ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে কখনও বিরোধী দলে, কখনও সরকারে থেকে দেশ গঠনে অনন্য অবদান রেখে চলেছে মাটি ও মানুষের রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ভাষা আন্দোলন, গণআন্দোলন, স্বাধিকার আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধ- স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসের পাতার পরতে পরতে একটিই নাম আওয়ামী লীগ। সব পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগের হার না মানা নেতৃত্ব। এই দলের নেতাকর্মীদের ত্যাগ তিতিক্ষা ও অঙ্গীকারদীপ্ত সংগ্রামী ভূমিকা ইতিহাসবিদিত।

পুরান ঢাকার রোজ গার্ডেনে যে দলটির প্রতিষ্ঠা, সেই আওয়ামী লীগ আজ পেয়েছে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে সুরম্য ১০ তলা নিজস্ব কেন্দ্রীয় কার্যালয়। আওয়ামী লীগই একমাত্র দল, যাদের বাংলাদেশের ইতিহাসে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। উপমহাদেশের রাজনীতিতে গত ৬ দশকেরও বেশি সময় ধরে নিজেদের অপরিহার্যতা প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ। এদেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে আওয়ামী লীগের ভূমিকা প্রত্যুজ্জল। ৪৭’র দেশ বিভাগ, ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬২’র ছাত্র আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ৭০’র যুগান্তকারী নির্বাচন আর ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা আন্দোলন সবখানেই সরব উপস্থিতি ছিল আওয়ামী লীগের।

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশেমের নেতৃত্বাধীন তত্কালীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একাংশের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার টিকাটুলীর কে এম দাস লেন রোডের রোজ গার্ডেন প্যালেসে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠিত হয়, যার সভাপতি ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং সাধারণ সম্পাদক টাঙ্গাইলের শামসুল হক। তখন কারাবন্দি অবস্থায় তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সালে ময়মনসিংহে দলের দ্বিতীয় কাউন্সিলে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৫ সালের ২১-২৩ অক্টোবর ঢাকার সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলে দলের তৃতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক সংগঠনে পরিণত হয়। ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দিয়ে দলের নতুন নামকরণ হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ।

১৯৫৭ সালে কাগমারী সম্মেলনে দলের আন্তর্জাতিক নীতির প্রশ্নে সোহরাওয়ার্দী-ভাসানীর মতপার্থক্যের কারণে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগ ভেঙ্গে যায়। ভাসানীর নেতৃত্বে গঠিত হয় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)। আর মূল দল আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান বহাল থাকেন। ১৯৬৬ সালের কাউন্সিলে দলের সভাপতি পদে নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তাজউদ্দীন আহমদ। ১৯৭০ সালের কাউন্সিলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অপরিবর্তিত থাকেন। এই কমিটির মাধ্যমেই পরিচালিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দলের নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে আওয়ামী লীগের রাজনীতি স্থগিত করা হয়। ১৯৭৬ সালে ঘরোয়া রাজনীতি চালু হলে আওয়ামী লীগকেও পুনরুজ্জীবিত করা হয়। এক পর্যায়ে সঠিক নেতৃত্বের অভাবে দলের মধ্যে সমস্যা দেখা দিলে নির্বাসনে থাকা বঙ্গবন্ধুকন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। দেশে ফেরার আগেই ১৯৮১ সালের কাউন্সিলে শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। সর্বশেষ ২০১৬ সালে ২০তম জাতীয় কাউন্সিলে শেখ হাসিনা সভাপতি পদে বহাল থাকেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পরিক্রমায় অনেক ঘাত-প্রতিঘাত, চড়াই-উতরাই ও প্রাসাদসম ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দলটি আজ এ দেশের গণমানুষের ভাব-ভাবনার ধারক-বাহকে পরিণত হয়েছে। অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক ভাবধারার আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে দলটি। জন্মের পর থেকে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে ঐতিহ্যবাহী দলটি বেঁচে আছে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছর দলটির পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হলেও করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এ বছর সীমিত আকারে ও অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে সূর্যোদয়ের সময় কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। ঢাকায় ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে দলের শীর্ষ নেতাদের শ্রদ্ধা নিবেদন। এ ছাড়া, স্বাস্থ্যবিধি মেনে দলের স্বল্পসংখ্যক সদস্যের প্রতিনিধিদল টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করবেন।

বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবস্থানরত নেতাদের উদ্দেশ্যে গণভবন থেকে বিকাল ৫টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভাষণ দেবেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বল্পসংখ্যক কেন্দ্রীয় নেতা সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে অবস্থান করবেন অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে অনলাইনে যুক্ত হবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এবং সিনিয়র সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন সুভাষ সিংহ রায়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে দলের গৌরবোজ্জ্বল ৭১ বছর পূর্তিতে গৃহীত কর্মসূচি স্বাস্থ্যবিধি মেনে পালনের জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সকল জেলা, উপজেলাসহ সকল স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।




ঝিনাইদহে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ঝিনাইদহের চোখঃ

ঝিনাইদহে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংগ্রাম ও অর্জনে গৌরবময় পথচলার ৭১ বছর উপলক্ষে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করে জেলার নেতৃবৃন্দ।

উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।




মহেশপুরে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

জাহিদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের চোখঃ

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন ঝিনাইদহ ৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব্ শফিকুল আজম খাঁন চঞ্চল।

এ সকল কর্মসূচীতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদ। কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর সুলতানুজ্জামান লিটন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি অমল কুন্ডু, জেলা কৃষকলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কাজী আতিয়ার রহমান, ফতেপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি আতাউর রহমান, জেলা পরিষদের সদস্য এম.এ আসাদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুর রহমান প্রমুখ। দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি করা হয়।




ঝিনাইদহের সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের ইন্তেকাল

ঝিনাইদহের চোখঃ

ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস শিরিনা রহমান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। বার্ধক্যজনিত কারণে রোববার (২১ জুন) দুপুরে তিনি জেলা শহরের কাঞ্চননগরের নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন।

ঝিনাইদহের সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিরিনার মৃত্যু

ঝিনাইদহের সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিরিনার মৃত্যু

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। মৃত্যুকালে তিনি ৬ মেয়ে ও এক ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুনগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

শিরিনা রহমান ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমানের স্ত্রী। জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতির পাশাপাশি তিনি মহিলা পরিষদ, নারী সমাজ কল্যাণ সংস্থাসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে ওৎপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।

রোববার বাদ মাগরিব ঝিনাইদহ শহরের উদয়পুর স্কুল মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে স্বামী মরহম মতিয়ার রহমানের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

এদিকে শিরিনা রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এক শোক বিবৃতিতে তিনি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সহকর্মী, গুনগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

এছাড়া শিরিনা রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু, ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহজিব আলম সিদ্দীকি সমি, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার, ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ জোয়ার্দ্দার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম অপু, অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, ভাইস চেয়ারম্যান রাশিদুর রহমান রাসেল প্রমুখ।




ঝিনাইদহে জোড়া খুনের মামলার ৬ আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

খাইরুল ইসলাম নিরব, ঝিনাইদহের চোখঃ

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা হরিশংকরপুর গ্রামের দু গ্রæপের সংঘর্ষে জোড়া খুনের মামলার ৬ আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো হরিশংকরপুর গ্রামের আব্দুল মালেক মিয়ার ছেলে লতা মিয়া (৬৩), কাজী আবুল হোসেনের ছেলে খালেক (৬১) ও কাজী মোসলেম উদ্দিন (৬৪) মৃত তোজাম শেখের ছেলে তোরাপ শেখ (৪৫,) মৃত আফিল উদ্দীনের ছেলে আজমত শেখ (৬৫) ও আতিয়ার রহমানের ছেলে জুয়েল রানা (২৭)।

ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এমদাদুল হক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে সোমবার পাশ্ববর্তী জেলা মাগুরা, কুষ্টিয়া ও জেলার শৈলকুপা থেকে পলাতক ৬ আসামীকে গ্রেফতার করে। পরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাসুমের সমর্থকরা সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদের সমর্থক আলাপ শেখ ও নুর ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করে।